SSC-ICT Book Content

Spread the love

চার্লস ব্যাবেজ (১৭৯১-১৮৭১):

 তিনি একজন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গণিতবিদ। তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি তৈরি করেন ডিফারেনস ইঞ্জিন এবং পরবর্তীতে তিনি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে একটি গণনা যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন।

অ্যাডা লাভলেস বায়রণ (১৮১৫-১৮৫২):

অ্যাডা বায়রণ কবি লর্ড বায়রনের কন্যা। ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য “প্রোগ্রামিং” এ ধারণা দেন। এ কারণে অ্যাডা লাভলেস বায়রনকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়।

রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন:

তিনি ১৯৭১ সালে আরপানেটের মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন। তিনি প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন।

স্টিভ জবস:

তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা। অ্যাপল প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান। আমাদের দেশের অনেকেই অ্যাপল কোম্পানির আইফোন, MacBook ব্যবহার করে।

উইলিয়াম হেনরি বিল গেটস:

তিনি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি এমএস ডস এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন। যা বর্তমানে পৃথিবীর অধিকাংশ কম্পিউটার পরিচালিত হয় বিল গেটস প্রতিষ্ঠিত মাইক্রোসফট কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার দিয়ে।

SSC-ICT Book

টিমোথি জন টিম বার্নাস লি:

তিনি একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৯৮৯ সালে হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।

মার্ক জুকারবার্গ:

বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় ফেসবুকের সূচনা করেন। যা বর্তমানে বিশ্ব ব্যাপী ব্যবহার হচ্ছে। আমাদের দেশের অনেকেই এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক ব্যবহার করেন।

ই-লার্নিং ও বাংলাদেশ:

মূলত প্রচলিত শিক্ষার ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোনো বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই হলো ই-লার্নিং। বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের কাছে ই-লার্নিংয়ের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দমতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব। ই-লার্নিংয়ের ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম। এগুলোর মধ্যে আছে খান একডেমি, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, টেন মিনিট স্কুল প্রভৃতি।

ই-গভর্ন্যান্স ও বাংলাদেশ:

গুড গভর্ন্যান্স বা সুশাসনের জন্য দরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা। ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রচলনের ফলে সরকারি ব্যবস্থাসমূহকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার পাশাপাশি সরকারি ব্যবস্থাসমূহের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব। এর ফলে নাগরিকের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটে। শাসন ব্যবস্থায় ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটার পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে কোন কোন কার্যক্রম ২৪ ঘন্টায় করা সম্ভব। যেমন- ATM সেবা, Mobile ব্যাংকিং, তথ্য সেবা ইত্যাদি। আবার ই-গভর্ন্যান্স চালুর ফলে সরকারি দপ্তরসমূহের মধ্যে আন্তসংযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে, কর্মীদের দক্ষতাও বৃদ্ধি পেয়েছে ফলে দ্রুত সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে।

ই-সার্ভিস ও বাংলাদেশ:

ইলেকট্রনিক পদ্ধেিততে আমরা যে সেবা পেয়ে থাকে তাকে ই-সার্ভিস বা ই-সেবা বলে। ই-সেবার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে এবং হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তরসমূহের উদ্যোগে ইতিমধ্যেই অনেক ই-সেবা চালু হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পাঠ্যপুস্তকের ডিজিটাল সংস্করণ, ই-পূর্জি, ই-মানি ট্রান্সফার সিস্টেম, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ই-পর্চা, ই-টিকেট, টেলিমেডিসিন, অনলাইন আয়কর সেবা ইত্যাদি।

ই-কমার্স ও বাংলাদেশ:

ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওর্য়াক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় হয়ে থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে। বাংলাদেশেও আস্তে আস্তে ই-কমার্সের প্রসার হচ্ছে। বর্তমানে বই থেকে শুরু করে জামা, কাপড়, খাবার , বাস/ট্রেনের টিকেট, শৌখিন সামগ্রী ইত্যাদি ই-কমার্সের মাধ্যমে বেচাকেনা হচ্ছে।

SSC-ICT Book

For More Content

Fore More Video


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.