ডেটা বা উপাত্ত বলতে কি বুঝায় ?

সুনির্দিষ্ট আউটপুট বা ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাচামালসমূহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে। ডেটা প্রধানত তিন প্রকার। যথা-

  • নিউমেরিক ডেটা
  • অ-নিউমেরিক ডেটা
  • বুলিয়ান বা লজিক্যাল ডেটা

ইনফরমেশন বা তথ্য বলতে কি বুঝ ?

কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে কম্পিউটারে ডেটা প্রক্রিয়াকরণের ফলে প্রাপ্ত ফলাফলকে ইনফরমেশন বা তথ্য বলা হয়।

ডেটা ও ইনফরমেশনের মধ্যে পার্থক্য ?

 

 

তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology) বলতে কি বুঝ ?

যে প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, এর সত্যতা ও বৈধতা যাচাই, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, আধুনিকীকরণ ও ব্যবস্থাপনা করা হয় তাকে তথ্য প্রযুক্তি বা ইনফরমেশন টেকনোলজি (Information Technology) সংক্ষেপে আইটি (IT) বলা হয়।

যোগাযোগ প্রযুক্তি(Communication Technology) বলতে কি বুঝ ?

ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন টেকনোলজি বলা হয়। উদাহরন- টেলিফোন, মোবাইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রকারভেদ ।

  • কম্পিউটিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম: কম্পিউটিংসহ সকল ধরনের ইলেকট্রনিক ডেটা প্রসেসিং যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এক্সপার্ট সিস্টেম ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
  • ব্রডকাস্টিং: রেডিও এবং টেলিভিশন যা ব্রডকাস্টিং এর মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে একমুখী তথ্য সম্প্রচার করে।
  • টেলিকমিউনিকেশন: ফিক্সড টেলিফোন ও মোবাইল বা সেলুলার ফোনসহ সকল ধরনের উভয়মুখী টেলিযোগাযোগ মাধ্যম যা বিশ্বের বিশাল জনগোষ্ঠী ব্যবহার করছে।
  • ইন্টারনেট: আন্তর্জাতিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হলো ইন্টারনেট, যাতে সংযুক্ত থাকলে যেকোন স্থান থেকে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়।

তথ্য প্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য অবদান(The Contribution of IT) সমূহ:

  • অপচয় রোধ করে এবং সময়সাশ্রয়ী হয়
  • তাৎক্ষণিক যোগাযোগ সম্ভব হয়। যেমন-ফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, ই-মেইল, এসএমএস ইত্যাদি।
  • দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
  • কাজকর্মের গতি বৃদ্ধি পায়।
  • ব্যবসা-বাণিজ্যের লাভজনক প্রক্রিয়া সৃষ্টি করে।
  • ই-কমার্সের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী পণ্যের বাজার সৃষ্টি করে।
  • ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জিনিসের অর্ডার দেয়া যায়
  • মানবসম্পদের উন্নয়ন ঘটায়।
  • ঘরে বসেই অনলানে বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
  • ই-গভর্নেন্স চালুর মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় তৈরি হয়।
  • ঘরে বসেই বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও ফোন বিল দেয়া যায়।

তথ্য প্রযুক্তির উপাদানসমূহ( The Element of IT) :

  • কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি( Computer and Others Devices)
  • রেডিও, টেলিভিশন, ফ্যাক্স (Radio, Television, Fax)
  • অডিও ভিডিও (Audio, Video)
  • স্যাটেলাইট(Satellite)
  • কম্পিউটার নেটওয়ার্ক(Computer Network)
  • ইন্টারনেট(Internet)
  • আধুনিক টেলিযোগাযোগ((Modern Telecommunication)
  • মডেম(Modem)

রেডিও বলতে কি বুঝ ?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলো রেডিও। মূলত: রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম দ্বারা শব্দকে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গে রুপান্তরিত করে তথ্য বা শব্দ একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে সাধারণত তিন ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয়। যথা-

  • পাবলিক রেডিও ব্রডকাস্টিং-বাংলাদেশ বেতার।
  • বাণিজ্যিক রেডিও ব্রডকাস্টিং-রেডিও টুডে, রেডিও ফুর্তি, রেডিও আমার ইত্যাদি।
  • কমিউনিটি রেডিও ব্রডকাস্টিং-সীতাকুন্ডুর Young Power in Action (YPSA)

টেলিভিশন বলতে কি বুঝ ?

টেলিভিশন একটি জনপ্রিয় মাধ্যম যা তথ্য সম্প্রচারের কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে সংকেত পাঠানো হয় এবং ঐ সম্প্রচার কেন্দ্রের আওতাধীন সকলে টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচারিত তথ্য, ছবি, মুভি বা, লাইভ প্রোগ্রাম দেখতে পারে। বর্তমান বাংলাদেশে বিটিআরসি এর হিসাব অনুযায়ী ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ২৮টি বেসরকারি ও ৩টি সরকারি টিভির স্প্রেকট্রাম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ইন্টারনেট বলতে কি বুঝ ?

ইন্টারনেট পৃথিবী বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। এটি অসংখ্য ছোট বা বড় নেটওয়ার্কের সংযোগে তৈরি একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক। ২০১৮ সালের গেøাব ডিজিটাল স্যুইট রিপোর্ট অনুসারে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ৭.৫ মিলিয়নের মধ্যে ৪.০২ বিলিয়ন মানুষ সক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৩%। ১৯৬৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের উদ্দ্যোগে ARPANET নামক একটি গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু হয় ইন্টারনেট।

বিশ্বগ্রাম( Global Village) বলতে কি বুঝ ?

বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর এমন একটি পরিবেশ যেখানে দুরবর্তী স্থানে অবস্থান করেও পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজে বসবাস করার সুবিধা পায় এবং একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে। অর্থাৎ গ্লোবাল ভিলেজ হচ্ছে এমন একটি ধারণা ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে গোটা পৃথিবীটাকেই একটি গ্রাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ (Elements of establishing Global village):

  • হার্ডওয়্যার বা কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি
  • প্রোগ্রামসমূহ বা সফটওয়্যার
  • ব্যক্তিবর্গের সক্ষমতা
  • ডেটা বা ইনফরমেশন
  • ইন্টারনেট সংযুক্ততা

গ্লোবাল ভিলেজের সুবিধা:

  • সারা পৃথিবী মানুষের হাতের মুঠোয় এসেছে।
  • মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নত হয়েছে।
  • মানুষের কাজের দক্ষতা এবং গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে এবং লেনদেন সহজ ও দ্রæততর হচ্ছে।
  • অন-লাইন লাইব্রেরি, অন-লাইন ইউনিভার্সিটি, ই-বুক ব্যবহারের ফলে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে।
  • ঘরে বসেই সহজে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি, ভিডিও, অডিও তথ্যাদি শেয়ার করা সহজ হচ্ছে।
  • অনলাইনে পত্র-পত্রিকা পড়া ও বøগে লেখালেখি করার মাধ্যমে মতামত প্রদান ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • গবেষণার উপাত্ত ও তথ্য প্রাপ্তি সহজতর হচ্ছে।

গ্লোবাল ভিলেজের অসুবিধা:

  • ইন্টারনেট হ্যাকিং করে তথ্য চুরি হয়
  • পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে সামাজিক অবক্ষয়ের সৃষ্টি হয়।
  • অসত্য তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।
  • ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য চুরি।
    ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি হতে পারে।
  • সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হওয়া।
  • প্রযুক্তির বেশি ব্যবহারের ফলে শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হওয়া।.

ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic Mail) বলতে কি বুঝ ?

ইলেকট্রনিক মেইলকে সংক্ষেপে ‘ই-মেইল’ বলা হয়। এটা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর এক ধরনের উন্নত ও দ্রæত ডিজিটাল ডাক ব্যবস্থা। বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোনের সাহায্যে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে যে কোন জায়গা থেকেই ই-মেইল করা যায় বা ই-মেইল গ্রহন করা যায়। ই-মেইল ঠিকানার দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো ডোমেইন নেইম। যেমন-monir@iit-bd.org এখানে monir হলো ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং iit-bd.org হলো ব্যবহারকারীর ডোমেইন নাম। কাজেই ই-মেইল সার্ভিস ব্যবহার করার জন্য প্রয়োজন-

  • ইন্টারনেট সংযোগ বিশিষ্ট একটি কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন
  • ই-মেইল বার্তা তৈরি, ই-মেইল প্রেরণ ও গ্রহণ করার একটি সফটওয়্যার
  • প্রেরক ও প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা

টেলিকনফারেসিং বলতে কি বুঝ ?

ভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেসিং।

ভিডিও কনফারেসিং বলতে কি বুঝ ?

কমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেসিং বলে। জনপ্রিয় কিছু ভিডিও কনফারেসিং সফটওয়্যার হল- স্কাইপি, ইমো, ভাইবার ইত্যাদি।

অফিস অটোমেশন বলতে কি বুঝ ?

তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অফিসের সার্বিক কার্যক্রম (যেমন-অফিসের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরি, ডকুমেন্ট নথিভুক্তকরণ ও সংরক্ষণ, চিঠি-পত্র আদান প্রদান তথ্য অভ্যন্তরীন ও বহি:যোগাযোগ সংক্রান্ত ইত্যাদি কাজ) দক্ষতার সাথে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করাকে বলা হয় অফিস অটোমেশন।

অফিস অটোমেশনের সুবিধা:

  • অফিস অটোমেশনে মানব সম্পদ, কার্যপ্রণালী এবং প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটে। ফলে কাজের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বাড়ে এবং অফিসে উন্নত ও আধুনিক কর্ম পরিবেশ তৈরি হয়।
  • সঠিক সময়ে কার্য সম্পাদন করা যায়।
  • সব ধরনের প্রতারনা থেকে মুক্ত থাকা যায়।
  • অফিস পরিচালনার ব্যায় অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।
  • অফিসের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা যায়।
  • অফিসের কাগজের ব্যবহার কমিয়ে স্বয়ংক্রিয় অনলাইন পদ্ধতি চালু করা সম্ভব হয়।

বুলেটিন বোর্ড(Bulletin Board) বলতে কি বুঝ ?

ইলেক্ট্রনিক বুলেটিন বোর্ড ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন প্রদানের জন্য ব্যবহৃত ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থা যেখানে কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারসমূহ টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন ওয়েব পেজের জন্য ব্যবহৃত ইন্টারনেট বুলেটিন বোর্ড হচ্ছে  www ।

জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম(এGlobal Positioning System-GPS) বলতে কি বুঝ ?

গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস(GPS) হলো এমন একটি স্যাটেলাইটনির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ভুপৃষ্ঠের যে কোন স্থানের অবস্থান নিখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। বর্তমানে গাড়ি, জাহাজ, অ্যারোপ্লেন, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন ইত্যাদিতে জিপিএস রিসিভার সংযুক্ত থাকে।

জিআইএস বা জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম(Geographic Information System-GIS) বলতে কি বুঝ ?

জিআইএস(GIS) হলো এমন একটি স্বয়ংক্রিয় কম্পিউটার সিস্টেম যা ভৌগোলিক যে কোন স্থাপনার পরিবর্তন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঐ স্থানের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করে।

ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বুঝ ?

নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। আর যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন এ ধরণের পেশাজীবীকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সার।

আউটসোসিং বলতে কি বুঝ ?

অনলাইন মার্কেটপ্লেসের হাজার হাজার কাজ থেকে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোন কাজ খুজে নেয়া ও সেটি সম্পাদন করার পর বায়ারের কাছ থেকে তার পেমেন্ট গ্রহণ করার মাধ্যমে যে উন্মুক্ত পেশা বা ফ্রিল্যাসিং কাজের সৃষ্টি হয়েছে সেটিকে আউটসোসিং বলে। বর্তমান গ্লোবাল আউটসোসিং মার্কেটপ্লেসগুলোর মধ্যে রয়েছে-ফ্রিল্যান্সার ডট কম, আপওয়ার্ক, ইল্যান্স, গুরু, ভিওয়ার্কার, ফাইবার ইত্যাদি।

ই-কমার্স (E-Commerce) বলতে কি বুঝ?

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা কেনা বেচা বা লেনদেন করাকে ই-কমার্স (E-Commerce) বলে।

ই-কমার্সের প্রকারভেদ লিখ ।

বর্তমানে প্রচলিত নানা প্রকার ই-কমার্স রয়েছে। তবে পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্রে ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-বর্তমানে প্রচলিত নানা প্রকার ই-কমার্স রয়েছে। তবে পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্রে ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ব্যবসা থেকে ভোক্তা/ক্রেতা (Business to Consumer: B2C)

২. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B)

৩. ব্যক্তি থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B)

৪. ভোক্তা/ক্রেতা থেকে ভোক্তা/ক্রেতা (Consumer to Consumer: C2C)

ই-কমার্সের সুবিধা সমুহ :

  • আর্থিক লেনদেনের গতিশীলতা বাড়ানো এবং আর্থিক লেনদেনের সাথে সংশ্লিষ্ট খরচ কমানো।
  • ব্যবসা পরিচালনায় খরচ কমানো।
  • ওয়াকিং টাইম সেভ করে দূরত্ব ব্যবধান কমানো।
  • বিজ্ঞাপন ও বিপণন সুবিধা, বাজার যাচাই ও তাৎক্ষণিক অর্ডার প্রদানে সুবিধা।
  • ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

ই-কমার্সের অসুবিধা সমুহ:

  • দক্ষ লোকবলের অভাব।
  • দূরবর্তী স্থানের অর্ডার ক্ষেত্র বিশেষে ব্যয়বহুল।
  • আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগে সমস্যা।
  • লেনদেনের নিরাপত্তার সমস্যা।
  • মাত্রাতিরিক্ত অর্ডার সরবরাহের সমস্যা।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality বলতে কি বুঝ ?

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেকখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশে মগ্ন হতে ও বাস্তবের অনুকরণের সৃষ্ট দৃশ্য উপভোগ প্রভৃতি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে তাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিস্টেম তৈরির উপাদান সমূহ:

  • ইফেক্টর
  • রিয়েলিটি সিমুলেটর
  • অ্যাপ্লিকেশন
  • জিওমেট্রি

আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স(Artificial Intelligence) বলতে কি বুঝ ?

মানুষের চিন্তাভাবনার অথবা বুদ্ধিমত্তার পদ্ধতিটিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্র বা কম্পিউটারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করাটাই হলো আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স।

রোবটিক্স(Robotics):

টেকনোলজির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলোচানা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিকস বলা হয়। একটি রোবট যেসব অংশসমূহ নিয়ে গঠিত। যেগুলো হলো-

  • পাওয়ার সিস্টেম (Power systam)
  • মুভেবল বডি (Movable Body)
  • ইলেকট্রিক সার্কিট (Electric circuit)
  • মস্তিষ্ক বা কম্পিউটার (Brain or Computer)
  • অ্যাকচুয়েটর (Actuator)
  • অনুভুতি (Sensing)
  • ম্যানিপিউলেশন বা পরিবর্তন (Manipulation)

রোবটিক্স এর ব্যবহার:

  • বিপজ্জনক কাজে
  • ম্যানুফ্যাকচারিং কাজে
  • ভারী শিল্প কারখানায়
  • মেইল ডেলিভারির কাজে
  • ঝুকিপূর্ণ কাজে
  • নিরাপত্তার কাজে
  • পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে
  • সামরিক ক্ষেত্রে
  • চিকিৎসার কাজে
  • মহাকাশ গবেষণার কাজে

টেলিমেডিসিন(Telemedicine) বলতে কি বুঝ ?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন ভৌগলিক ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।

ক্রায়োসার্জারি(Cryosurgery) বলতে কি বুঝ ?

ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে একপ্রকার চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে অত্যাধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করা হয়।

ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার:

  • শারীরিক অভ্যন্তরীণ ব্যাধি যেমন- লিভার ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লাং ক্যান্সার, ওরাল ক্যান্সার ও সার্ভিক্যাল ব্যাধিসমূহের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হয়।
  • চর্ম রোগ, স্ক্রিন ট্যাগ, ওয়াট, মোল, মর্টনস নিউরোমা ইত্যাদি কাজে ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হয়।
  • মানবদেহের কোষকলার কোমল অবস্থা যেমন- প্ল্যান্টার ফ্যাসিলিটিজ এবং ফিবরোমাকে ক্রায়োসার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।

বায়োমেট্রিক্স(Biometrics) বলতে কি বুঝ ?

বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্টের উপর ভিত্তি করে তাকে চিহ্নিত করা হয়।

বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ:

দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-

বায়োইনফরমেটিক্স(Bioinformatics) বলতে কি বুঝ ?

জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয় তাকে বায়োইনফরমেটিক্স বলে।

বায়োইনফরমেটিক্স এর ব্যবহার:

  • কীট প্রতিরোধ
  • পুষ্টির মান উন্নয়ন
  • খরা প্রতিরোধ উন্নয়ন
  • ভেটেরিনারি বিজ্ঞান
  • জেনেটিক ও জিনোম ডেটার মধ্যে তুলনা
  • জীব বিবর্তনের নকশা তৈরি
  • ডিএনএ অ্যানালাইসিস
  • প্রোটিন টু প্রোটিন মিথস্ক্রিয়া

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং(Genetic Engineering) বলতে কি বুঝ ?

কোন জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ব্যবহার:

  • বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া ও অনুজীব থেকে তৈরি হচ্ছে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ।
  • মানুষের বিভিন্ন ধরনের (হাপানি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সার ইত্যাদি) রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
  • কৃষিবিজ্ঞানীরা অধিক ফলনশীল উন্নত মানের খাদ্যদ্রব্য (ধান, মটর, শিম ইত্যাদি) উৎপাদন করছে।
  • জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং পরিবেশের বিভিন্ন ধরণের হুমকি থেকে শস্যকে রক্ষা করছে।
  • নানা ধরনের ক্ষতিকর ও বিষাক্ত দূষণ পদার্থগুলো নষ্ট করে ফেলা যাচ্ছে।
  • ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে অপরাধকারী শনাক্তকরণ এবং সন্তানের পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব নির্ণয় করা যায়।
  • কয়লা গ্যাস খনিতে মিথেন মুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

ন্যানো টেকনোলজি(Nanotechnology) বলতে কি বুঝ ?

ন্যানোটেকনোলজি বা ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস যেমন- রোবট তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে কাজে লাগোনো বিজ্ঞানইে ন্যানোটেকনোলজি বলে।

-টেকনোলজির ব্যবহার:

  • কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে
  • খাদ্য শিল্পে
  • চিকিৎসা
  • যোগাযোগ ক্ষেত্রে
  • জ্বালানি ক্ষেত্রে
  • রাসায়নিক শিল্পে
  • ইলেকট্রনিক্স শিল্পে

ন্যানো প্রযুক্তির সুবিধা:

১. ন্যানো টেকনোলজি যেমন-ন্যানোটিউব, ন্যানো পার্টিকেল ইত্যাদি দ্বারা উৎপাদিত পন্য মজবুত টেকসই ছোট ও ওজনে হালকা হয়।
২. ন্যানো টেকনোলজির প্রোয়োগে উৎপাদিত ঔষধ যা স্মার্ট ড্রাগ নামে পরিচিত তা ব্যবহারে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যায়।
৩. ন্যানোট্রান্সজিষ্টর, ন্যানো ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহারে ইলেকট্রনিক শিল্পজগতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হচ্ছে।

ন্যানো প্রযুক্তির অসুবিধা:

১. ন্যানো টেকনোলজি ব্যয়বহুল।
২. এই প্রযুক্তি পুরোপুরি বিকশিত হলে আণবিক শক্তি সহজ লভ্য হয়ে যেতে পারে যা মানব জাতির জন্য বিপদ জনক।
৩. বিকল্প জ¦ালানী উৎপাদনের ফলে তেল,গ্যাসের দাম কমে যেতে পারে।

ভাইরাস (Virus) বলতে কি বুঝ ?

VIRUS শব্দের পূর্ণ রুপ হচ্ছে-Vital Information Resources Under Siege। ভাইরাস হলো এক ধরনের অজানা ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমন ও বংশ বৃদ্ধি করে কম্পিউটারে রক্ষিত অন্যান্য প্রোগ্রামকে নষ্ট করে দেয়। কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম দেওয়া হল- Trojan horse, Abraxas, Melissa, My Doom ইত্যাদি।

হ্যাকিং(Hacking) বলতে কি বুঝ ?

প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোন কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

ফ্রেকিং (Phreaking) বলতে কি বুঝ ?

টেরিকমিউনিকেশণ সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং (Phreaking) বলা হয়।

স্পুফিং (Spoofing) বলতে কি বুঝ ?

ভুয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নেয়ার একটি সাধারণ পদ্ধতিকে স্পুফিং (Spoofing) বলে।

স্নিফিং(Sniffing) বলতে কি বুঝ ?

ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাবার সময় তথ্যকে তুলে নেয়ার পদ্ধতিকে স্নিফিং (Sniffing) বলে।

স্প্যামিং (Spamming) বলতে কি বুঝ ?

ই-মেইল একাউন্টে প্রায়ই কিছু কিছু অচেনা ও অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল পাওয়া যায় যা আমাদের বিরক্তি ঘটায়। এই ধরনের ই-মেইলকে সাধারণত স্প্যাম (ঝঢ়ধস) মেইল বলে। আর যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে শত শত মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে তখন এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

সাইবার আক্রমণ (Cyber Attack) বলতে কি বুঝ ?

সাইবার আক্রমণ হলো কোন কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের প্রচেষ্টা এবং কোন ব্যক্তি বা গ্রæপের অনুমতি ছাড়াই তাদের সমগ্র গতিবিধিকে ট্র্যাক করা অর্থাৎ তাদের ফাইল, প্রোগ্রাম কিংবা হার্ডওয়্যার ধ্বংস বা ক্ষতি সাধন করা।

সাইবারথেফট (Cyber theft) বলতে কি বুঝ ?

সাইবারথেফট (অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য কিংবা অবৈধ ভাবে ব্যবহারের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত তথ্যাদি চুরি করাই হলো সাইবারথেফট (Cyber theft)

সফটওয়্যার পাইরেসি(Software Piracy) বলতে কি বুঝ ?

সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে প্রস্ততকারীর বিনা অনুমতিতে কোন সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বুঝায়।

প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism) বলতে কি বুঝ ?

যে কোন উৎসের লেখা সংযোজন করা হোক না কেন তাতে মূল লেখক বা মূল কর্মের ¯্রষ্টার নাম অবশ্যই সংযোজন করা উচিত এর ব্যতিক্রম হলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অপরাধই হলো প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism)।

ভিশিং(Phishing) বলতে কি বুঝ ?

ইন্টারনেটে এমন কিছু সাইট আছে যেগুলো অত্যন্ত বিশ্বস্ত ভঙ্গিতে ইউজারকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটটে নিয়ে গিয়ে সেখানে তার ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই করার জন্য অনুরোধ করে থাকে। অসচেতন ব্যবহারকারী এ ফাঁদে পা দিলে হ্যাকাররা এখান থেকে তার সকল তথ্য হ্যাক করে তাকে সর্বস্বান্ত করে ছাড়তে পারে। এটিকে ফিশিং বলা হয়ে থাকে।

ফিশিং(Vishing) বলতে কি বুঝ ?

টেলিফোন বা অডিও ব্যবহার করে কোন ব্যক্তির তথ্য ব্যবহার করাকে ফিশিং বলে।

এক্সপাট সিস্টেম বলতে কি বুঝ ?

কোন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ করে তা সংরক্ষন পূর্বক প্রয়োজনীয় বিশ্লেষন করে ঐ বিষয়ের উপর কোন প্রশ্ন করে কম্পিউটার থেকে উহার উওর যেনে নেয়ার ব্যবস্থাকে এক্সপার্ট সিস্টেম বলা হয়।

সমাজে তথ্য প্রযুক্তির সুফল:

  • অপচয় কমায়
  • সময় বাচায়
  • দক্ষতা বৃদ্ধি করে
  • দ্রæত যোগাযোগ করা যায়
  • ভিডিও কনফারেন্সিং
  • ব্যবসা-বাণিজ্যে
  • মনুষ্যশক্তির অপচয় কমায়
  • শিক্ষাক্ষেত্রে
  • ই-গভর্নেন্স
  • যোগাযোগ ব্যবস্থায়
  • চিকিৎসায়
  • কর্মসংস্থান
  • বিনোদনক্ষেত্রে
  • প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়

সমাজে তথ্য প্রযুক্তির কুফল:

  • অপরাধ প্রবণতা
  • অশ্লীলতা
  • তথ্যের গোপনীয়তা প্রকাশ
  • বেকারত্ব সৃষ্টি
  • শারীরিক সমস্যা
  • বুদ্ধিমত্তার ক্ষতিগ্রস্ততা
  • মিথ্যা প্রচারণা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন:

  • কর্মসংস্থান
  • বিনিয়োগ
  • আউটসোসিং
  • ব্যবসায় উদ্যোগ
  • উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি
  • ক্ষুদ্র ব্যবসায়
  • যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন
  • শিক্ষার বিস্তার
  • ই-গভর্নেন্স
  • ই-কমার্স
  • ই-কৃষি
  • ই-ব্যাংকিং
  • মোবাইল ব্যাংকিং
  • নারী উন্নয়ন
  • পরিবেশ সংরক্ষণ
error: Content is protected !!
Share This